বঙ্গীয় ম্যাটিনি অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত কৃতী নারীরা

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা: বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, কর্মদক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সম্মান জানাতে রুমা চক্রবর্তীর উদ্যোগে আয়োজিত হল বঙ্গীয় ম্যাটিনি এয়ার্ড ও ফ্যাশন ফিয়েস্তা। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা ব্যক্তিত্বদের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান এবং তাঁদের সাফল্যের মাধ্যমে অন্যদের অনুপ্রাণিত করা। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিবাহিত ও অবিবাহিত মহিলাদের জন্য পৃথক বিভাগে সম্মাননা প্রদান। অবিবাহিত মহিলাদের বিভাগটি পরিচিত ছিল ‘তন্নী তনয়া গোষ্ঠী’ নামে। এই বিভাগে বিজয়ীর মুকুট অর্জন করেন নেহা ঠাকুর খোশ। যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন দীক্ষা পাণ্ডে ও অহনা সিনহা। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সুভার্থী পাঠক ও মহুয়া তরফদার। প্রতিযোগীদের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব, উপস্থাপনা এবং নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরার প্রচেষ্টা এই বিভাগের বিশেষ দিক হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, বিবাহিত মহিলাদের বিভাগটি ‘শ্রীমতী দশভুজা’ নামে পরিচিত ছিল। এই বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন বিনীতা বারেলি। যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন তানিয়া মুখোপাধ্যায় ও শ্রীজয়ী রায়। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ডক্টর সুচরিতা প্রামাণিক ও রঞ্জাবতী আইচ। এ ছাড়াও অর্পিতা কোলে, ভাবনা মোদি, সিমরান চ্যাটার্জী,পূজা হালদার সহ আরো অনেকের রয়্যাম্পের ঝলকানি ছিল নজর করার মত যা দর্শকদের কুর্নিশ পায়।এই আয়োজন কেবল সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশের মঞ্চ হিসেবেই নয়, বরং নারীদের প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস, কর্মনিষ্ঠা এবং নিজস্ব দক্ষতাকে বৃহত্তর সমাজের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবেও তাৎপর্যপূর্ণ। বিভিন্ন বয়স, অভিজ্ঞতা ও সামাজিক পরিসরের মহিলাদের অংশগ্রহণ তাঁদের পারস্পরিক পরিচিতি, উৎসাহ এবং ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার সুযোগ করে দেয়। বর্তমান সমাজে নারীর বহুমুখী ভূমিকা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অবদানকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে রুমা চক্রবর্তীর এই উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ ধরনের আয়োজন আগামী দিনে আরও বেশি মহিলাকে নিজেদের প্রতিভা বিকাশে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *