‘রাইজ বেঙ্গল’: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভিকশিত ভারত গঠনে নীতিপ্রণেতা ও শিল্পপতিদের একত্রিত করল আইসিএমএআই

কলকাতা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দ্য ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যাকাউন্টেন্টস অফ ইন্ডিয়া (ICMAI)-এর উদ্যোগে কলকাতার রাজকুটির এ অনুষ্ঠিত হলো একটি উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্ব ও জ্ঞান বিনিময় সেমিনার। “রাইজ বেঙ্গল – পাওয়ারিং দ্য জার্নি টুয়ার্ডস ভিকশিত ভারত @ ২০৪৭” (Rise Bengal – Powering the Journey Towards Viksit Bharat @ 2047) শীর্ষক এই সেমিনারে দেশের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার যাত্রায় পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সেমিনারের মূল আকর্ষণ ও বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ

​এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী ড. স্বপন দাশগুপ্ত। এ ছাড়াও বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

মাননীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী শ্রী তাপস রায়।

মাননীয় নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পাল।

মাননীয় ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী (পর্যটন ও সংসদীয় বিষয়) ড. শংকর ঘোষ।

মাননীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন এবং কৃষি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী অমিয় কিসু।

মাননীয় বিধানসভার সদস্য সিএমএ (ডাঃ) রাজেশ কুমার।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সিএমএ-দের ভূমিকা

​সেমিনারে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারক, শিল্পপতি এবং পেশাদার সম্প্রদায়ের মধ্যে সংলাপের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে:

শিল্প, বাণিজ্য, পরিকাঠামো, শিক্ষা, নগরোন্নয়ন, পর্যটন, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং মানব সম্পদে পশ্চিমবঙ্গের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (CMAs) ঐতিহ্যবাহী আর্থিক কাজের বাইরেও খরচ প্রতিযোগিতামূলক ভাব আনা, সম্পদ ও পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট এবং কৌশলগত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

ভারতের অর্থনীতি যখন আরও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার দিকে এগিয়ে চলেছে, তখন খরচ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় পেশাদার দক্ষতার গুরুত্ব অপরিসীম।

‘রাইজ বেঙ্গল’ এবং ভিকশিত ভারতের স্বপ্ন

​সেমিনারের মূল বার্তা ছিল যে, ২০৪৭ সালের ভিকশিত ভারতের লক্ষ্য অর্জনে প্রতিটি অঞ্চলের অবদান জরুরি। “রাইজ বেঙ্গল” স্লোগানটি কেবল একটি অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাই নয়, বরং ভারতের প্রবৃদ্ধির গল্পে পশ্চিমবঙ্গের শক্তিকে কাজে লাগানোর একটি আহ্বান। সরকার, শিল্পক্ষেত্র এবং শিক্ষাঙ্গনের যৌথ সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গকে একটি শক্তিশালী ও উন্নত ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *