ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা: ফ্যাশন, সংস্কৃতি ও প্রতিভার সম্মিলনে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল ডি.এস. প্রোডাকশন হাউস আয়োজিত ‘বাংলার সেরার শিরোপা ২০২৬’ ও ‘মেগা ফ্যাশন শো রেড কার্পেট সিজন ৪’। এই অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডি.এস. প্রোডাকশন হাউসের প্রতিষ্ঠাতা শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি। সহযোগিতায় ছিলেন সৈকত নন্দী এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিলেন জিৎ হালদার। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তবলা মেস্ট্রো ও কম্পোজার পণ্ডিত মল্লার ঘোষ, বাচিক শিল্পী ও অভিনেত্রী মল্লিকা ঘোষ, সুপার মডেল ও মিসেস বেঙ্গল সপ্তমী ব্যানার্জি এবং ডান্স ডিরেক্টর উজ্জ্বল গুহ। প্রথম পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ডান্স বাংলা ডান্স-এর সিজন ২-এর চ্যাম্পিয়ন নৈরিতা দাস মহাপাত্রের পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বাচিক সংসদ ও নৃত্যশিল্পী পৃথ্বীরাজের পরিবেশনা ছিল উল্লেখযোগ্য। উজ্জ্বল গুহর পরিচালনায় মহানায়কের জন্মশতবর্ষ স্মরণে বিশেষ নৃত্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মেগা ফ্যাশন শো। মহানায়কের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ফ্যাশনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন ছিল এবারের বিশেষ আকর্ষণ। আশিস মান্না, স্বরাজ দে, প্রিন্স বিশ্বাস, রঞ্জিতা ভট্টাচার্য, প্রদীপ পোদ্দার, লুনা পাল, শানু পাখিরা ও সুজল রয়-সহ একাধিক ডিজাইনার তাঁদের নকশা তুলে ধরেন। কোরিওগ্রাফি- তে ছিলেন প্রীতি হালদার। মডেলদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রিনেললা এঞ্জেল শোও, কুহেলী কাঁঠাল,রিঙ্কি মীরবর,মৌশ্রী বিশ্বাস,রূপাঞ্জনা রানা ভট্টাচার্য,রিঙ্কি অধিকারি, সমর্পিতা সিনহা,স্নেহা মন্ডল, প্রিয়াঙ্কা মজুমদার,রিচা বর্মন ও সিমরান চ্যাটার্জী সহ আরো অনেকে। শো স্টপার বিশেষ ভূমিকা দেখা যায় প্রীতি দাস কে। অনুষ্ঠানে চিকিৎসা, সংস্কৃতি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘বাংলার সেরার শিরোপা ২০২৬’সম্মান। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেত্রী মধুমিতা গুপ্তা, শেফ অতনু ঘোষ, বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার শর্মিলা সিং ফ্লোরা এবং সমাজসেবী মিমি দাস। মাহেশ জগন্নাথ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক পিয়ালকৃষ্ণ অধিকারীকে প্রদান করা হয় জীবনকৃতি সম্মান।উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিরূপ ভট্টাচার্য, সুজয় সরকার, সৌরভ চক্রবর্তী, শাশ্বতী গুহ চক্রবর্তী, সুমনা চক্রবর্তী, অভিনেত্রী মৌমিতা, অভিনেতা রিয়ান ও ডিজাইনার ড. শান্তনু গুহ ঠাকুরতা। ফ্যাশন, সংস্কৃতি ও সম্মাননার এই আয়োজন নতুন প্রতিভাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে তুলে ধরল।
ছবি:- বিশ্বজিৎ দাস

